ঢাকা,  মঙ্গলবার
০৫ মার্চ ২০২৪

The Daily Messenger

বিমানের ফ্লাইটে মিলল ৪৩ কেজি স্বর্ণ

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ০৮:৫১, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

আপডেট: ১৬:৫৬, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

বিমানের ফ্লাইটে মিলল ৪৩ কেজি স্বর্ণ

ছবি : সংগৃহীত

বিমানের এক ফ্লাইট থেকে চার ধাপে ৪৩ কেজির স্বর্ন উদ্ধারের ঘটনায় তেলপাড় সৃস্টি হয়েছে। চার ধাপে চার সংস্থা এ স্বর্ণগুলো জব্দ করে। যা শাহজালালের ইতিহাসে ঘটেনি। আর এসব স্বর্ণ চোরাচালানে যথারীতি বিমানের দিকেই আঙ্গুল উঠিয়েছে সংস্থাগুলো। 

জানা যায়, সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের বিজি ২৪৮ ফ্লাইট থেকে ৩৪ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয় শুক্রবার সকালে। এই ঘটনায় শুল্ক গোয়েন্দা ৪ ব্যক্তিকে আটক করে। পরে ফ্লাইটটি শাহজালাল বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে শাহজালাল বিমানবন্দরে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে অবতরণ করে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, শাহজালাল বিমানবন্দরে বিজি ২৪৮ বিমানটি অবতরণের পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) বিমানটিতে তল্লাশী চালায়। এক পর্যায়ে বিমানটির আসনের নিচ থেকে এনএসআই ২০টি স্বর্নের বার উদ্ধার করে।

এরপর বিমানবন্দরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস প্রিভেনটিভ টিম বিমানটিতে প্রবেশ করে এবং বিমানের ভেতর আসনের নিচ থেকে আরও ২০টি স্বর্নের বার পায়। এখানেই শেষ নয়, এরপর সিভিল এভিয়েশনের বিশেষ বাহিনী এ্যাভসেক বিমানটিতে প্রবেশ করে তারাও বিমানের বিভিন্ন আসনের নিচ থেকে আরও ৪০টি স্বর্নের বার উদ্ধার করে।

সবমিলে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা বিমানটির ভেতর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে এনএসআই,কাস্টমস ও এ্যাভসেক সদস্যরা ৮০টি স্বর্নের বার পায়। যার ওজন প্রায় ৯ কেজি ২৮০ গ্রাম এবং বাজার মূল্য ৯ কোটি টাকার বেশি।

এদিকে এ ঘটনায় শাহজালাল জুড়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিহাসে এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও অনেকে দাবি করছেন। 

বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক পলাশ মেসেঞ্জারকে বলেন, এর আগে এমন ঘটনা ঘটেছে কি না আমার জানা নেই।  

তিনি বলেন,স্বর্ণ চোরাচালান যে বেড়েছে গত কয়েকদিনের ঘটনা তাই প্রমাণ করে।  

শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. আব্দুর রউফ বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে জানান, অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পরিচালনার দ্বায়িত্বে ব্যাক্তিরা চোরাচালানে জড়িয়ে পড়ছেন। বিষয়টি খুবই উদ্বেগের। অনেক সময় তাদের হাতেনাতে আটকও করা হয়েছে।  আবার স্বর্ণ উদ্ধারের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি চলে আসে। 

তিনি বলেন, আমাদের তদন্ত রিপোর্টে অনেকের শাস্তিও হয়েছে। বর্তমানে আবারও এই বিষয়টি পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমরা তাদের কর্তৃপক্ষকে জানাব।

মেসেঞ্জার/দিশা

×
Islamic Merchant