ঢাকা,  রোববার
১৪ জুলাই ২০২৪

The Daily Messenger

হাতিয়ায় খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করে ডাকাতি

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭:৫২, ১১ জুন ২০২৪

হাতিয়ায় খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করে ডাকাতি

ছবি: মেসেঞ্জার

নোয়াখালী হাতিয়ায় খাবারে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে অজ্ঞান করে ঘরের স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটে নিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। মুমূর্ষু অবস্থায় পরিবারের দুই সদস্যকে জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১০ জুন) দিবাগত রাতে হাতিয়া পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের ছৈয়দিয়া বাজার সংলগ্ন সাহেদ সেলিনা দম্পতির ঘরে ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে।

পরিবারিক সূত্রে জানা যায়, পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের ছৈয়দিয়া বাজারের মৃত আবদুর রশিদের ছেলে আহছানুল কবির শাহেদ ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার শম্পা বাড়ীতে একাই থাকতেন। সোমবার দিবাগত রাত প্রায় ১০ টায় যথারীতি তারা রাতের খাবার খেয়ে ঘরে শুয়ে পড়ে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) সকালে পাশ্ববর্তী কাজের মহিলা তাদেরকে ডাকতে থাকে। অনেক বেলা হওয়ার পরেও না উঠতে দেখে কাজের মহিলা খোলা জানালা দিয়ে দেখে যে, শাহেদ ও তার স্ত্রী শম্পা বেহুশ হয়ে এলোমেলো পড়ে আছে। এমতাবস্থায় সে চারিদিক থেকে আত্মীয় স্বজনদের ডেকে আনে। তারা দেখে যে ঘরের দরজা খোলা এবং আলমারি, সুটকেস, শোকেইস খোলা। সব জিনিসপত্র তছনছ হয়ে পড়ে আছে। গৃহকর্তা সাহেদ ও তার স্ত্রীর শারীরিক চেতনা না ফেরায় তাদের দ্রæত হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। কিন্তু অজানা চেতনা নাশক দ্রব্যের প্রভাবে অসুস্থতা মাত্রাতিরিক্ত হওয়ায় তাদেরকে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
 
হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডাক্তার সাকিব বিন মহিউদ্দিন জানান, এটি একটি অজানা বিষক্রিয়া। রোগীর যেকোন মূহুর্তে আইসিইউ’র প্রয়োজন হতে পারে। তাই আমরা দ্রæত তাদের জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।

হাতিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিসান আহমেদ জানান, ঘটনা শুনে সরোজমিনে দেখতে এসেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রাতের খাবারের সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ হতে পারে। দুস্কৃতিকারীদেরকে আইনের আওতায় আনতে আমরা কাজ শুরু করছি। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  

মেসেঞ্জার/জিল্লুর/শাহেদ