ঢাকা,  রোববার
০৪ ডিসেম্বর ২০২২

The Daily Messenger

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আজ মাহবুব তালুকদারের দাফন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫৫, ২৬ আগস্ট ২০২২

আপডেট: ১১:৫৬, ২৬ আগস্ট ২০২২

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আজ মাহবুব তালুকদারের দাফন

সাবেক নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, ফাইল ছবি

মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত স্থানে আজ সাবেক নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের লাশ দাফন করা হবে।এর আগে বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মাহবুব তালুকদারের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে  জানিয়েছেন তার মেয়ে ডাক্তার আইরিন মাহবুব।মাহবুব তালুকদার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বুধবার রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 

মাহবুব তালুকদারের বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা, এক পুত্র সন্তানসহ অসংখ্য বন্ধুবান্ধব ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার ৩ সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে ডা. আইরিন মাহবুব ঢাকায় বসবাস করছেন। আর ২ সন্তানের ১ জন কানাডায় ও ১ জন আমেরিকায় থাকেন। তিনি ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মাহবুব তালুকদারের দুই সন্তান দেশের বাইরে থাকায় ওইদিন তার মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। তারা গত রাতে দেশে এসে পৌঁছেছেন।মাহবুব তালুকদার ১৯৪২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ছিলেন।

তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন ও মুজিব নগর সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের চাকুরীতে যোগ দেন। এ সময় তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংগেও যুক্ত ছিলেন। ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী তাঁকে উপসচিবের পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির স্পেশাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেন।

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সময়ে তিনি তাঁর জনসংযোগ কর্মকর্তা ছিলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর মাহবুব তালুকদার তাঁর সহকারী প্রেস সচিব (উপসচিব) এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ছিলেন।

তিনি বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।মাহবুব তালুকদার ঢাকা জগন্নাথ কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর স্থাপত্য বিভাগ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতাও করেছেন।তিনি একজন বিশিষ্ট সৃজনশীল লেখক। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, ভ্রমণকাহিনী মিলিয়ে তার প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা চল্লিশটি। তিনি ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

ডেইলি মেসেঞ্জার /এএইচএস

শীর্ষ সংবাদ: