ঢাকা,  শনিবার
১৫ জুন ২০২৪

The Daily Messenger

এমপি আনার হত্যায় জড়িত তরুণী শিলাশ্রীর বাড়ি বাংলাদেশে

মেসেঞ্জার অনলাইন

প্রকাশিত: ২২:২৯, ২২ মে ২০২৪

এমপি আনার হত্যায় জড়িত তরুণী শিলাশ্রীর বাড়ি বাংলাদেশে

আনোয়ারুল আজিম আনার। ছবি: ফেসবুক

ঝিনাইদহ- আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যায় শিলাশ্রী নামের এক তরুণীর নাম উঠে এসেছে। তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, খুনের কোন পর্যায়ে এই তরুণী সংশ্লিষ্ট, পুলিশ ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না। লাশ গুমের পর থেকে এই শিলাশ্রী লাপাত্তা।

তদন্তে নেমে ঢাকা কলকাতা পুলিশ জানতে পেরেছে, আনোয়ারুল আজিমের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীর বান্ধবী এই শিলাশ্রী। তাকে নিয়েই কলকাতার বিধাননগরের নিউটাউনে ওই ভাড়া ফ্ল্যাটে উঠেছিলেন খুনি। সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমকে ফ্ল্যাটে ডেকে নিতে টোপ হিসেবে ওই তরুণীকে ব্যবহার করা হয়।

তবে পুলিশ বলছে, এসবই প্রাথমিক তথ্য। সামনে এগোলে আসল রহস্য বের হয়ে আসবে। সূত্র বলছে, শিলাশ্রীর বাড়ি বাংলাদেশেই। এমপি খুনের পরিকল্পনাকারীর সঙ্গে প্রায়ই বিদেশ ভ্রমণ করতেন তিনি।

ঝিনাইদহ- আসনের তিনবারের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। এলাকায় নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তার নামে ইন্টারপোলের রেড নোটিশও ছিল। ১১ মে তিনি দর্শনা-গেদে সীমান্ত দিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতে যান।

বরাহনগরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের বাড়িতে ওঠেন আনোয়ারুল আজিম। কিন্তু ১৬ মে থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে না পারায় ১৮ মে বরাহনগর থানায় নিখোঁজের জিডি করেন গোপাল বিশ্বাস।

বুধবার (২২ মে) সকালে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে আনোয়ারুল আজিম খুন হওয়ার খবর আসে। পরে দুপুরে ঢাকার ধানমন্ডিতে নিজের বাসায় পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যতটুকু তথ্য তাঁরা পেয়েছেন, তাতে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশের লোকজনই এমপিকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে। মন্ত্রী বলেন, আনোয়ারুল আজিম যে এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন, ঝিনাইদহ সীমান্তবর্তী ওই এলাকাটি একটিসন্ত্রাসকবলিতএলাকা।

পশ্চিমবঙ্গের সিআইডির প্রধান অখিলেশ চতুর্বেদী জানান, পূর্ব কলকাতার নিউটাউন অঞ্চলে যে ফ্ল্যাটে আনোয়ারুল আজিম উঠেছিলেন, সেটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আবগারি দপ্তরের কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার রায়ের। সন্দীপের কাছ থেকে ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন আখতারুজ্জামান নামের এক ব্যক্তি। আখতারুজ্জামানই ওই ফ্ল্যাটে আনোয়ারুল আজিমের থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আনোয়ারুল আজিমের মরদেহ এখনো পায়নি পুলিশ। তবে কিছু প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁরা মনে করছেন, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

মেসেঞ্জার/হাওলাদার

Advertisement