ঢাকা,  বৃহস্পতিবার
১৮ জুলাই ২০২৪

The Daily Messenger

জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলাম’র ২ সদস্য গ্রেপ্তার

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২:৫৭, ১৫ জুন ২০২৪

জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলাম’র ২ সদস্য গ্রেপ্তার

ছবি: মেসেঞ্জার

সিএমপি কর্ণফুলী থানা এলাকা শিকলবাহা ইউনিয়ন এলাকা থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলাম'র ২ জন সক্রিয় সদস্যকে জিহাদি বইসহ গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৭।

শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুর একটার দিকে শিকলবাহার ৫নং ওয়ার্ড ভেল্লা পাড়া ব্রীজের পশ্চিমে মহা সড়কের পাশে একটি পরিত্যক্ত একতলা ঘর থেকে মিটিং করার সময় ‘শাহাদাত’ গ্রুপের এ দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে জব্দ করা হয় একাধিক জিহাদি বই এবং অন্যান্য আলামত। গ্রেপ্তারকৃত ২ সদস্য হলো, পঞ্চগড়ের মো. আসাদুজ্জামান আসিফ (২২) ও পাবনার মোহাম্মদ আহাদ (২১)।

র‍্যাবের উপস্তিতি টের পেয়ে এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৫-৬ জন পালিয়ে যায়।

র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের মিডিয়া অফিসার মোহাম্মদ শরিফুল আলম জানান, গত ২৩ মে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-৩ এর একটি দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর গুলিস্থান ও সাইনবোর্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আনসার আল ইসলাম এর ৩ জন শীর্ষস্থানীয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে আনসার আল ইসলাম এর কার্যক্রম প্রায় স্তিমিত হয়ে পড়লে আনসার আল ইসলামের নামে নতুন সদস্য সংগ্রহ সহ কার্যক্রম পরিচালনা এবং চলমান রাখার জন্য তারা আনসার আল ইসলাম মতাদর্শী ‘শাহাদাত’নামে নতুন একটি জঙ্গি সংগঠন তৈরি করে নতুন সদস্য সংগ্রহ সহ দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা করতে থাকে।

এই সংগঠনের সদস্য সংখ্যা শতাধিক। যোগাযোগের জন্য তারা ব্যবহার করে End To End Encrypted  বিভিন্ন মেসেঞ্জার এবং মোবাইল অ্যাপ। 'বিপ' নামে একটি মোবাইল অ্যাপ তাদের কাছে বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যা প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।  
তিনি আরও বলেন, পরে গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে জানা যায় ‘শাহাদাত’গ্রুপটি সালাহউদ্দিন নামের এক প্রবাসীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। যিনি বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছে। এই গ্রুপের অন্যান্য সদস্যরা ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-৭ এর একটি টিম অভিযান চালিয়ে শিকলবাহা ওই দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই জন জানান, তারা 'আনসার আল ইসলাম' এর মতাদর্শে পরিচালিত নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘শাহাদাত’ গ্রুপের নামে সদস্য সংগ্রহ ও দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। যোগাযোগের জন্য নতুন গোপনীয় অ্যাপস ব্যবহার করতো এবং সংগঠনের সকল নির্দেশনা এই অ্যাপসের মাধ্যমে আদান-প্রদান করতো।

মেসেঞ্জার/আকাশ/শাহেদ