ঢাকা,  বুধবার
২৯ মে ২০২৪

The Daily Messenger

সোনালী লাইফে প্রশাসক নিয়োগের আদেশ হাইকোর্টে স্থগিত

মেসেঞ্জার অনলাইন

প্রকাশিত: ১৩:১৯, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

সোনালী লাইফে প্রশাসক নিয়োগের আদেশ হাইকোর্টে স্থগিত

ছবি : সংগৃহীত

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে প্রশাসক নিয়োগের আদেশ স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ স্থগিত করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার এক দিন পরেই কোম্পানির পক্ষ থেকে এই আদেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে করা রীট আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত শুনানি শেষে এই স্থগিতাদেশ জারি করে। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন এ বিষয়ে একটি রুল জারি করে।

সোনালী লাইফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইতিপূর্বে আইডিআরএ সোনালী লাইফের বরখাস্তকৃত সাবেক সিইও রাশেদ বিন আমানের পেশ করা রিপোর্টের ভিওিতে একটি অডিট ফার্ম দিয়ে সোনালী লাইফের কার্যক্রম ও লেনদেনের অডিট করানো হয়। অডিট রিপোর্টটির কপি সোনালী লাইফ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর না করে এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগের ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ না দিয়েই সোনালী লাইফের বর্তমান বোর্ড ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সাবেক সিইও যাকে দুর্নীতি ও নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্ত করা হয়, এমনকি যার বিরুদ্ধে কোম্পানির মূল ডাটা ম্যনিপুলেশনের মতো এবং জাল শিক্ষাগত সনদ প্রদান করে সিইও পদে চাকরি নেওয়ার মতো কঠিন অভিযোগ রয়েছে; যা ইতিমধ্যে প্রমাণিত হওয়ায় তিনি জেলও খেটেছেন। তার মতো একজন দাগী অপরাধীর উদ্দেশ্যমূলক আবেদনের প্রেক্ষিতে আইডিআরএ তাদের নিয়োজিত অডিট ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা চালায় এবং তার প্রতিবেদনের উপর ভিওি করেই সোনালী লাইফে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

সোনালী লাইফের জনসংযোগ বিভাগ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। আইডিআরএ অডিট প্রতিবেদন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করেনি। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে উল্লেখিত অভিযোগ খন্ডানোর কোনো সুযোগ না দিয়ে তড়িঘড়ি করে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং গত ২১ এপ্রিল এ বিষয়ে চিঠি ইস্যু করে।

তিনি বলেন, অডিটের মূল অভিযোগের যে জায়গাটি তা হলো, কোম্পানি থেকে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের অর্থ গ্রহণ, অথচ তিনি যে সেসব অর্থ তার মালিকানাধীন সোনালী লাইফের প্রধান কার্যালয়ের ইমপেরিয়াল টাওয়ারের ভাড়া বাবদ গ্রহণ করেছেন এ বিষয়টি কোথাও উল্লেখ করা হয়নি এবং সোনালী লাইফের দুর্নীতিবাজ তৎকালীন সিইও রাশেদ বিন আমান তার দেওয়া রিপোর্টে সুকৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। ফলে অডিট প্রতিষ্ঠান ও বিষয়টিকে আমলে নেয় নি।

দেশের দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী সোনালী লাইফ বিগত ৩ মাসে নানান অস্থিরতার মধ্যেও ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং ১১৪ কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে। অথচ প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি গ্রাহকদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে।

মেসেঞ্জার/দিশা

Advertisement