ঢাকা,  বুধবার
২৯ মে ২০২৪

The Daily Messenger

প্লাস্টিক সার্কুলারিটি ও একাডেমিক উন্নয়নে আইবিএ-ইউনিলিভারের যৌথ প্রকল্প

মেসেঞ্জার অনলাইন

প্রকাশিত: ২১:০৬, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

প্লাস্টিক সার্কুলারিটি ও একাডেমিক উন্নয়নে আইবিএ-ইউনিলিভারের যৌথ প্রকল্প

ছবি : সৌজন্য

ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনকে (আইবিএ) সঙ্গে নিয়ে প্লাস্টিক সার্কুলারিটির বিষয় বোঝার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গবেষণা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন উন্নয়নে ব্র্যান্ড স্পন্সরশিপ প্রদান বিষয়ক দুটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

প্রকল্প দুটি ইউনিলিভারের ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া পার্টনারশিপের অধীনে বাস্তবায়ন করা হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় ইউনিলিভার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক গবেষণা পরিচালনা করবেন অধ্যাপক শেখ মোর্শেদ জাহান, অধ্যাপক ড. মেলিতা মেহজাবীন, অধ্যাপক ড. খালেদ মাহমুদ, অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল কবির, কানিজ ফাতিমা ও অর্পিতা ঐশ্বর্যসহ আইবিএর শিক্ষকদের একটি দল।

এই গবেষণার লক্ষ্য হচ্ছে, প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারকারীদের চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান খুঁজে বের করা। এর মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদনকারী ও ভোক্তাদের দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বাংলাদেশের বাজারে প্লাস্টিকের সার্কুলারিটির মূল্যায়নের বিষয়টি পর্যালোচনার পাশাপাশি স্থানীয় প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মানানসই সম্ভাব্য মডেলগুলোকেও চিহ্নিত করা হবে। এছাড়াও, গবেষণাটি বর্তমান অবকাঠামোর চ্যালেঞ্জগুলো খুঁজে বের করে প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারের জন্য একটি টেকসই মডেল তৈরিতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর করণীয় সম্পর্কে সম্ভাব্য সমাধান দেবে।

সম্মিলিত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী পদ্ধতি ব্যবহার করে, টেকসই চর্চা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারযোগ্য ভবিষ্যৎ গঠনে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করতে একসঙ্গে কাজ করবেন আইবিএর শিক্ষকরা।

ইউনিলিভার বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আখতার বলেন, “বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য আমরা প্যাকেজিংয়ে উদ্ভাবন, প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি টেকসই মডেল তৈরি, মাল্টি-স্টেকহোল্ডার সংলাপ এবং নলেজ শেয়ারিংয়ের মতো প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছি। আইবিএর সঙ্গে যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা আমাদের অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে সক্ষম হব।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ অনুষদের অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন বলেন, “উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং ব্যবহারিক প্রয়োগের সঙ্গে তাত্ত্বিক জ্ঞানকে একীভূত করার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে ইন্ডাস্ট্রি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা।

“কর্পোরেটদের সক্রিয় সম্পৃক্ততা আইবিএকে মূল্যবান দৃষ্টিভঙ্গি এবং বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ধারণা দিবে, যা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য একইভাবে শেখার এবং উন্নয়নের সুযোগ বৃদ্ধি করবে। আমার বিশ্বাস, আইবিএ-ইউবিএলের সম্মিলিত এই প্রচেষ্টা পরিবেশ ও সমাজে দীর্ঘমেয়াদী অবদান রাখবে।”

নিয়মিতভাবে দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মজীবনে সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে আইবিএর শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করে ইউনিলিভার বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি ও উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগও নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এর মধ্যে রয়েছে ইউনিলিভার লিডারশিপ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম, ইউনিলিভার ফিউচার লিডার্স প্রোগ্রাম ও বিজমায়েস্ট্রোস, যা একটি ক্যাম্পাসভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা।

গত ১৪ বছর ধরে বিজমায়েস্ট্রোস প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে ইউবিএল। এটি প্রকৃত ব্যবসার অনুভূতি প্রদানের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী দেশের তরুণদের যোগ্যতা প্রদর্শনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

মেসেঞ্জার/সজিব

Advertisement